34%

ছাড়

Taka detect UV light

৳890 ৳590

5.00/5 See Reviews

প্রোডাক্ট কোড : P0228

Product Type: Physical

Brand : N/A

- +
ঢাকার ভিতরে ৭০ টাকা
ঢাকার বাহিরে ১২০ টাকা

বিস্তারিত

 

DEEK Premium 365 nm UV Rechargeable Flashlight

      • 365nm UV আলো দিয়ে নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যাচাইয়ে সহায়ক।
      •  দ্রুত ও সহজে ব্যবহারযোগ্য প্রিমিয়াম UV Flashlight।
      •  USB Rechargeable – বারবার ব্যাটারি পরিবর্তনের ঝামেলা নেই।
      •  শক্তিশালী UV LED আলো এবং টেকসই Metal Body।
      •  দোকান, সুপারশপ, ফার্মেসি, অফিস ও ব্যবসার জন্য উপযোগী।
      • ছোট, হালকা ও সহজে বহনযোগ্য ডিজাইন।
      •  কম বিদ্যুৎ খরচে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়।
      • ব্যবহারে সহজ, নির্ভরযোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী।
      • ব্যবসার নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য একটি কার্যকর সহায়ক টুল।
জাল টাকা শনাক্তকরণ লাইট (Fake Note Detector Light) হলো এমন একটি বিশেষ ডিভাইস বা টর্চ, যা ব্যাংক নোটের আসল-নকল পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে মূলত আল্ট্রাভায়োলেট (UV) বা অতিবেগুনি রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
নিচে এই লাইটের কাজের পদ্ধতি, কার্যকারিতা এবং গঠনের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:
১. কাজের মূল নীতি (Working Principle)

বিশ্বের প্রায় সব দেশের আসল ব্যাংক নোটে (যেমন: বাংলাদেশী টাকা, ইউএস ডলার, ইউরো ইত্যাদি) বিশেষ কিছু নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বা সিকিউরিটি থ্রেড (Security Thread) যুক্ত থাকে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো তৈরিতে এক ধরণের বিশেষ ফ্লোরসেন্ট কালি ও ফাইবার ব্যবহার করা হয়, যা সাধারণ আলোতে বা খালি চোখে দেখা যায় না। কিন্তু যখন এই নোটগুলোর ওপর ৩৬৫ ন্যানোমিটার (365nm) তরঙ্গের অতিবেগুনি রশ্মি (UV Light) ফেলা হয়, তখন ওই অদৃশ্য নিরাপত্তা সুতা ও ফাইবারগুলো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে (Fluoresce)। জাল টাকাতে এই বিশেষ ফ্লোরসেন্ট বৈশিষ্ট্য থাকে না, ফলে লাইটের নিচে ধরলে আসল নোটের মতো কোনো উজ্জ্বল অংশ দেখা যায় না।
আসল টাকা চেনার ক্ষেত্রে এটি যা যা ফুটিয়ে তোলে
বাংলাদেশী ব্যাংক নোটের ক্ষেত্রে এই লাইটটি ধরলে মূলত ৩টি প্রধান জিনিস দৃশ্যমান হয়:
  • নিরাপত্তা সুতা (Security Thread): নোটের ভেতরে থাকা ধাতব সুতাটি UV আলোর নিচে একটি নির্দিষ্ট রঙে (যেমন ১০০০ বা ৫০০ টাকার নোটে উজ্জ্বল হলুদ বা সবুজ) ঝলমল করে উঠবে।
  • ফ্লোরসেন্ট ফাইবার: পুরো নোটের কাগজে ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট অদৃশ্য সুতা বা ফাইবারগুলো লাইটের নিচে নিয়ন রঙের মতো উজ্জ্বল বিন্দু বা দাগ হিসেবে দেখা যাবে।
  • বিশেষ কালির লেখা: ১০০, ৫০০ বা ১০০০ টাকার নোটের কিছু নির্দিষ্ট অংশ বা সংখ্যার ওপর লাইট ধরলে তা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, যা সাধারণ আলোতে ম্যাট বা স্বাভাবিক দেখায়।
৪. জাল নোটের প্রতিক্রিয়া
একটি নকল বা জাল নোট যখন এই লাইটের নিচে রাখা হয়, তখন পুরো নোটের কাগজটি অতিরিক্ত সাদা বা নীলাভ দেখায়। কারণ জাল নোট তৈরিতে সাধারণ বাণিজ্যিক কাগজ ব্যবহার করা হয়, যা UV আলোর সম্পূর্ণ অংশ প্রতিফলিত করে দেয় (Bleach Effect)। এতে আসল নোটের মতো সুনির্দিষ্ট কোনো সিকিউরিটি সুতা বা ফাইবার উজ্জ্বল হয়ে ওঠে না।
  • সুবিধা: খুব দ্রুত (মাত্র কয়েক সেকেন্ডে) নোটের সত্যতা যাচাই করা যায়। এটি ব্যবহারে কোনো বাড়তি রাসায়নিক বা কাগজের ক্ষতি হয় না এবং এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী।

Customer Reviews (1)

J
Jononi Madical Hall
07 Oct 2026

darun akta product

0